ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
ই-পেপার
সর্বশেষ
জাতীয়
রাজনীতি
সারাদেশ
বিনোদন
আন্তর্জাতিক
খেলা
অর্থনীতি
আইন-আদালত
তথ্য প্রযুক্তি
শিক্ষা
সোশ্যাল মিডিয়া
ভিডিও
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ
জাতীয়
রাজনীতি
সারাদেশ
বিনোদন
আন্তর্জাতিক
খেলা
অর্থনীতি
আইন-আদালত
তথ্য প্রযুক্তি
শিক্ষা
সোশ্যাল মিডিয়া
স্বাস্থ্য
অন্যান্য
রাজধানী
লাইফ স্টাইল
ফটোগ্যালারি
ভিডিও গ্যালারি
আর্কাইভ
কনভার্টার
সর্বশেষ
জাতীয়
রাজনীতি
সারাদেশ
বিনোদন
আন্তর্জাতিক
খেলা
অর্থনীতি
আইন-আদালত
তথ্য প্রযুক্তি
শিক্ষা
সোশ্যাল মিডিয়া
ভিডিও
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ
জাতীয়
রাজনীতি
সারাদেশ
বিনোদন
আন্তর্জাতিক
খেলা
অর্থনীতি
আইন-আদালত
তথ্য প্রযুক্তি
শিক্ষা
সোশ্যাল মিডিয়া
স্বাস্থ্য
অন্যান্য
রাজধানী
লাইফ স্টাইল
ফটোগ্যালারি
ভিডিও গ্যালারি
আর্কাইভ
কনভার্টার
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর - October 19, 2026
সৌদিতে শি'রশ্ছেদ: সিথি নয়, সেই নারীর নাম সুইটি, জানা গেল পরিচয়!
মক্কায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তবে তারা স্বামী-স্ত্রী নন বলে জানিয়েছেন নজরুলের বাবা আব্দুল বাছির। তিনি
সৌদিতে মৃ'ত্যুদণ্ড: সেই সিথি আক্তার ছিলেন ওমরাহ যাত্রী, জানা গেল পরিচয়
সৌদি আরবের মক্কার একটি মসজিদ প্রাঙ্গণে ‘অনৈতিক’ কাজের দায়ে গত ১৪ অক্টোবর দুই বাংলাদেশি নাগরিক নারী-পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। এই ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভুয়া দাবি ছড়ানো হচ্ছে।
সৌদিতে মৃ'ত্যুদণ্ড কার্যকর: সেই পাকিস্তানি নাগরিকই ফাঁসিয়েছে নজরুলকে!
শেষ দেখা তো দূরের কথা, কথা বলার সুযোগটুকুও পায়নি পরিবার। ঠিক কখন তাদের সন্তানের জীবনের প্রদীপ নিভিয়ে দেওয়া হলো তার কিছুই জানতে দেওয়া হয়নি মা-বাবাকে। গত বুধবার সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে নজরুলের সঙ্গে শেষ কী কথা হয়েছিল, জানালেন বাবা
সৌদি আরবে নজরুল ইসলাম নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। নিহত নজরুলের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আবদুল বাছির ও রেহেনা বেগম
সৌদিতে বাংলাদেশী তরুণ-তরুণীর মৃ'ত্যুদণ্ড, অবশেষে জানা গেল পরিচয়
সাত লাখ টাকা ঋণ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন আব্দুল বাছির। আশা ছিল, ছেলে বিদেশে কাজ করে টাকা পাঠাবেন, সংসারের অভাব দূর হবে, ধীরে ধীরে শোধ হবে ঋণ। কিন্তু সেই আশার
আরও
X